চুলকানি, এলার্জি, ফাঙ্গাল সংক্রমণ কিংবা ত্বকের প্রদাহের মতো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শে যে ওষুধটি প্রায়ই ব্যবহার করা হয়, তা হলো এলিমেট প্লাস লোশন। এই লোশনটি মূলত ত্বকের প্রদাহ কমানো, চুলকানি প্রশমিত করা এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উপাদান: এতে Permethrin ও Crotamiton থাকে, যা স্ক্যাবিস ও অন্যান্য চুলকানির চিকিৎসায় কার্যকর।
ব্যবহার: স্ক্যাবিস, চুলকানি, একজিমা, অ্যালার্জিজনিত ফুসকুড়ি ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়।
পরামর্শ: এটি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
এলিমেট প্লাস লোশন এর কাজ
এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয়—
খোসপাঁচড়া (Scabies)
ত্বকের ভেতরে থাকা খোসপাঁচড়ার মাইট ধ্বংস করে
চুলকানি, লালচে ভাব ও ফুসকুড়ি কমায়
উকুন (Head Lice)
মাথার উকুন ও তাদের ডিম নষ্ট করতে সাহায্য করে
ত্বকের পরজীবী সংক্রমণ
নির্দিষ্ট কিছু চর্মরোগে, যেখানে পরজীবী জড়িত থাকে
খোসপাঁচড়া (Scabies) এর জন্য ব্যবহারের নিয়ম
রাতে গোসল করে শরীর ভালোভাবে শুকিয়ে নিন
গলা থেকে পা পর্যন্ত (আঙুলের ফাঁক, নখের নিচ, কুঁচকি, নাভি ভালোভাবে) পাতলা করে লোশন লাগান
শিশুদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে মাথা ও কানের পেছনেও লাগাতে হয়
লাগানোর পর ৮–১২ ঘণ্টা (সাধারণত সারা রাত) রেখে দিন
সকালে সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
প্রয়োজন হলে ৭ দিন পর আবার একইভাবে ব্যবহার করতে হয়
উকুনের জন্য ব্যবহারের নিয়ম
চুল ধুয়ে শুকনো বা হালকা ভেজা রাখুন
মাথার ত্বক ও চুলে ভালোভাবে লাগান
১০–১৫ মিনিট রেখে দিন
পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
সূক্ষ্ম চিরুনি দিয়ে উকুন ও ডিম পরিষ্কার করুন
দরকার হলে ৭ দিন পর পুনরায় ব্যবহার
এলিমেট প্লাস লোশন এর দাম
60 ml বোতল:
সাধারণত ৳180 – ৳200 এর কাছাকাছি পাওয়া যায়।
কিছু ফার্মেসিতে দাম কম বা বেশি হতে পারে (প্রায় ৳150 – ৳220 পর্যন্ত variation দেখা যেতে পারে)।
দাম বাজার এবং দোকানভেদে বিভিন্ন হতে পারে, তাই নিকটস্থ ফার্মেসিতে চেক করাই ভালো।
এলিমেট প্লাস লোশন ব্যবহারের আগে এর কার্যকারিতা, উপাদান, ব্যবহারবিধি এবং সতর্কতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে ভুলভাবে ব্যবহার করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিও থাকতে পারে।